আমাদের ব্যবসায়িক অখণ্ডতা

ঘুষ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই

আমরা কোন ধরণের ঘুষ ও দুর্নীতি সংক্রান্ত কার্যকলাপ বরদাস্ত করি না।

জেটিআই'তে এর গুরুত্ব কী?

আমাদের সকল ব্যবসায়িক চুক্তিতে সততার সাথে কাজ করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ এবং যেসব দেশে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে সেসকল দেশে ঘুষ ও দুর্নীতি সংক্রান্ত। কাজে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করি।

ব্যবসায়িক সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে মূল্যবান কোন কিছু বিশেষ করে অর্থ দেওয়া অথবা নেওয়া ঘুষ হিসেবে বিবেচিত। আর দুর্নীতি হলো ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারে ক্ষমতার অপব্যবহার।
লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা প্রদান ঘুষ দেওয়ার একটি ধরণ এবং নিয়মিত কাজ দ্রুত করে দেওয়ার জন্য কোন সরকারি কর্মকর্তাকে ছাটোখাট উপহার কিংবা অর্থ দেওয়াও ঘুষ দেওয়া হিসেবে গণ্য।

ঘুষ ও দুর্নীতি বিষয়ক আইন লঙ্ঘনকারী কর্মের সাথে জেটিআই ও জেটিআই-এর কোন কর্মী জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনা করা হবে ও সম্ভাব্য অর্থ জরিমানা করা হবে।

একজন জেটিআই কর্মীর কাছে এর গুরুত্ব কী?

আমি কোন ধরণের ঘুষ ও দুর্নীতি সংক্রান্ত কার্যকলাপে নিজেকে জড়াই না। বিশেষ করে, আমাকে যদি কেউ কোনরকম ঘুষ দিতে চায়; তাতে আমি অসম্মতি জানাই। এবং তাৎক্ষণিক আমার স্থানীয় অথবা আঞ্চলিক আইন পরামর্শক অথবা কমপ্লায়্যান্স টিমের একজন সদস্যের কাছে অভিযোগ করি।

আমি এটাও মনে করি যে, কোন উপহার; আতিথেয়তা; বিনোদনমূলক আয়োজন; সরকারি কর্মকর্তাকে অনুদান দেওয়া; দাতব্য অনুদান; স্পন্সরশিপ এগুলোও সম্ভাব্য ঘুষ।

আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারগণের কাছে এর গুরুত্ব কী?

জেটিআই-এর সাথে ব্যবসা করার শর্ত হিসেবে, জেটিআই কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রত্যেকে এবং আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারগণ সকল প্রকার ঘুষ ও দুর্নীতি সংক্রান্ত কার্যকলাপের প্রতি আমাদের জিরো টলারেন্স নীতিতে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা।

কোন ব্যবসায়িক অংশীদার ঘুষ ও দুর্নীতি সংক্রান্ত কোন কার্যকলাপের সাথে জড়িত থাকলে, আমরা তাদের সাথে আমাদের সকল ব্যবসায়িক চুক্তি বাতিলও করতে পারি।

বাস্তবজীবনে মূল্যবোধের অনুশীলন

“আমি একজন সম্ভাব্য বিক্রেতার বিক্রয় প্রতিনিধি থেকে বারবার ফোনকল এবং ই-মেইল পেতে থাকি। আমি তাকে জানিয়ে দিয়েছি যে, তার প্রস্তাবকৃত পণ্যটি আমাদের দেওয়া শর্ত পূরণ করতে পারে নি। তিনি আবারও ফোন করলেন এবং জানালেন জেটিআই যদি তার পণ্যটি গ্রহণ করে, তাহলে তিনি আমাকে ৫% ‘ব্যক্তিগত কমিশন’ দিবেন। আমি তাকে জানালাম, এধরনের চর্চা আমাদের মূল্যবোধ ও আচরণবিধির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং তিনি যেন আর কখনও জেটিআই’তে ফোন না করেন। আমি তখনই এই বিষয়টি আমার ম্যানেজারকে অবহিত করেছি”।

একজন পিপিও কর্মকর্তা

বিস্তারিত জানুন